অনলাইন ডেস্ক ৩১ জানু ২০২৬ ১১:২৬ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের যুবক যুবতীরা যখন একটি আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল, গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল, আমার আফসোস কেউ কেউ তাদের অপদস্থ অসম্মান করতে লাগলো এবং তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্ল বলে কথা বলতে লাগলো। অনেককে অনেককে তাদের পাত্তাই দিতে চাইলো না। এই জুলাইকে তারা স্বীকৃতি দিতেই চাইলো না। এক সময় তারা যখন দেখলো জুলাই বাংলাদেশ। বাংলাদেশই জুলাই।
তিনি বলেন, আপামর মানুষ মিশে গেছে জুলাইয়ের সাথে। তারা বলে এই জুলাইয়ের আমরা মাস্টারমাইন্ড। তারা একবার মানে না আরেকবার মাস্টারমাইন্ড হয়ে যায়। জুলাইকে সম্মান করা মানে চাঁদাবাজি হতে পারেনা। জুলাইকে সম্মান করা মানে দুর্নীতি হতে পারে না। নিরীহ মানুষের জমি দখল হতে পারে না। মামলা বাণিজ্য হতে পারেনা। জুলাই আমার মায়ের গায়ে হাত তুলতে পারেনা। এগুলো জুলাই চেতনার সাথে যায় না।
তিনি আরও বলেন, আমরা সামনের দিকে আগাইতে চাই একটি দল আমাদের সামনের দিকে আগাইতে দেয় না। তার সাক্ষী এই জাতি। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবে গনোভোট হবে তারা বলে গোনো ভোট আবার কি। ঠেলা খাইয়া যখন মানলো তখন তারা বলে যে গনভোট আলাদা হতে পারে না। আমাদের দাবি ছিল গনভোট হবে আগে । তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হবে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে তা করা হলো। এখন তারা বলে গণভোট মানি না। যখন জনগণ জবাব চাচ্ছিল আপনারা কি নতুন বাংলাদেশ চান না ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ চান। আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। তখন ঠেলায় পড়ে তারা শুক্রবার থেকে হা ভোটের পক্ষে বলা শুরু করেছে। একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজি। জুলাই না হলে তো কিসের ২৬ এর নির্বাচন । ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশকে দুর্নীতিবাজ মুক্ত করে ছাড়বো। চাঁদাবাজ মুক্ত করে ছাড়বো। মা বোনদেও ইজ্জত প্রতিষ্ঠা করে ছাড়বো। বাংলাদেশে আর কোন ফ্যাসিবাদ থাকবে না। বাংলাদেশে আর কোন শেয়ার মার্কেট লুণ্ঠন করতে দেব না। ঘরে ঘরে চাদার নামে ডাকাতি করতে দেবো না। অনেকেই বলে গুপ্ত সুপ্ত তারা নিজেরাই এখন গুপ্ত সুপ্ত্য হয়ে গেছে। জামাত ক্ষমতায় আসলে আপনারা ইজ্জত নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবেন। ১২ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে গণভোটে আপনারা হা ভোট দিবেন। হা ভোটের জয় হলে আগামীতে আধিপত্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
তিনি শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের শাক্তা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামের আয়োাজনে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।
ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহাম্মদ দেলোয়াার হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যাগপা প্রদান রাশেদ প্রধান। এই অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের হাতে স্ব স্ব প্রতীক তুলে দেন ডাক্তার শফিকুর রহমান।
তারা একবার জুলাই মানে না। আবার, মাস্টারমাইন্ড হয়ে যায়: ডা. শফিকুর রহমান
ভোটকেন্দ্রে ও গণজাগরণ ঘটাতে হবে, ৫ আগস্টের মতো: তারেক রহমান।
স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করছে একটি দল, বিএনপির বিরুদ্ধে ~ময়মনসিংহে জনসভায় :~তারেক রহমান।
আমরা কান ধরে টান দেব, লেজ ধরে টান দেব না। "জামায়াতের আমির"
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিকেলে সাক্ষাৎ করবেন নাহিদ-আসিফসহ এনসিপির চার প্রতিনিধি।
রাজপথে নামবে এনসিপি: ~ ঋণখেলাপি-দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচন করতে দিলে ।
অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনা কর্মকর্তাকে, যুক্ত করা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা দলে।