নিজস্ব প্রতিবেদক ৩১ জানু ২০২৬ ১১:৩৭ পি.এম
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে। এর পাশাপাশি বিনিময় হার সংস্কার পুরোপুরি বাস্তবায়ন করারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানের পর এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে অন্তর্বর্তী সরকারের চেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে আইএমএফ।
বাংলাদেশের জন্য আর্টিকেল ফোর পরামর্শ কার্যক্রম শেষ করার পর গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে আইএমএফ। বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুত সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ বিবৃতি দিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফ বলেছে, আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যাংক খাত সংস্কারের কৌশল দরকার। এ ধরনের কৌশলে মূলধনের ঘাটতির পরিমাণ নিরূপণ, রাজস্ব সহায়তার কাঠামো নির্ধারণ ও আইনগতভাবে শক্তিশালী পুনর্গঠন ও সমাধান পরিকল্পনার রূপরেখা থাকতে হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সম্পদের মান পর্যালোচনা পরিচালনা, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি এগিয়ে নেওয়া এবং সুশাসন ও ব্যালান্স শিটের স্বচ্ছতা জোরালো করার আহ্বান জানিয়েছে আইএমএফ।
সংস্থাটি বলেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন ও মূল্যস্ফীতি কমাতে কঠোর নীতির সমন্বয় বজায় রাখা প্রয়োজন। বিনিময় হার সংস্কার পুরোপুরি ও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন এবং বিনিময় হারকে আরও নমনীয় করতে হবে। দুর্বল ব্যাংকে অনিরাপদ তারল্য সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।
মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী ধারায় না আসা পর্যন্ত মুদ্রানীতি কঠোর থাকা উচিত বলেও মনে করছে আইএমএফ। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের শুরুতে দুই অঙ্কের ঘর থেকে নেমে এলেও অক্টোবরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২ শতাংশ ছিল। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে এবং ২০২৭ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ৬ শতাংশ হবে।
আইএমএফ বলেছে, দুর্বল কর রাজস্ব ও আর্থিক খাতের ঝুঁকির কারণে অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান সামষ্টিক–আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সাহসী রাজস্ব ও আর্থিক সংস্কার বাস্তবায়নে দেরি হলে বড় ধরনের নিম্নমুখী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, মধ্য মেয়াদে অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে এবং প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজস্ব স্থিতিশীলতা রক্ষা, সামষ্টিক–আর্থিক স্থিতি জোরদার ও মধ্য মেয়াদে সুশাসন শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে বিস্তৃত কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে জানায় আইএমএফ।
আইএমএফ উল্লেখ করেছে, দুর্বল রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের ঝুঁকি, নতুন বিনিময় হার কাঠামোর অসম্পূর্ণ বাস্তবায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
আইএমএফ এ ছাড়া ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ, প্রবৃদ্ধিবর্ধক বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য সরকারি আর্থিক ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরাম
র্শ দিয়েছে।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে, দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থের ধারণায় তফাত থাকায়। সাংবাদিকদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
রাত ৯ টা ৩৫ মিনিটের সময়, টেকনাফে ভূমিকম্প অনুভব হয়।
টাকা দেওয়ার বিষয়ে, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে: আইএমএফ।
মনুষ্যবিহীন আকাশযান’" ~ দেশে তৈরি হবে, চীনা কোম্পানির সঙ্গে বিমানবাহিনীর চুক্তি সই।
ভোটকে ঘিরে, ১ দিন মাইক্রো-ট্রাক ও ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল।
৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে, চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ।
নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন বেতন ১৮,০০০ টাকা:জানুয়ারিতেই কার্যকর হচ্ছে।
~রাতভর ইসি অবরুদ্ধ থাকবে,দাবি আদায় না হলে : ছাত্রদল সভাপতি
ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারবে না: শিল্প উপদেষ্টা
কারও সাধ্য নাই, নির্বাচনকে ডিস্টার্ব করার: শফিকুল আলম।
সৌদি আরব জানতে চায়, ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়া নিয়ে।
দেশ ও জাতির সেবায় সর্বদা নিয়োজিত, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী:~ সেনাপ্রধান।
প্রবাসী আয়:~ বছরের প্রথম ১২ দিনেই এলো ১৪৬ কোটি ডলার।
আর যেন, নির্বাচন ডাকাতি না ঘটে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে : ~প্রধান উপদেষ্টা।
সাংবাদিকতার ,স্বাধীন পরিবেশ চাইলেন সম্পাদকেরা।
🌎 সতর্কবার্তা~বিশ্বব্যাংকের নামে ভুয়া ফেসবুক খুলে প্রতারণার বিষয়ে সতর্কবার্তা।
এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস, বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি ।
ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে, অধিদপ্তরের নতুন বার্ত
ডিবি জানান, অভিযোগ পত্রে, হাদি হত্যায়, আসামিদের ভূমিকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল।;~ তোফাজ্জল হত্যায়।
খালেদা জিয়া-উত্তর যুগে বিএনপি, তারেক রহমানের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ